০১:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

কলাপাড়ায় মসজিদ ভেঙে যাওয়ায় সড়কে মুসল্লিদের নামাজ আদায়

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:০৫:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ১৮১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কলাপাড়ায় মসজিদের পাটাতন ভেঙে মুসল্লিদেরসহ পানিতে পড়ে গেছে। কোনো উপায় না পেয়ে সড়কের মাঝেই নামাজ আদায় করছেন ধর্মপ্রাণ মানুষ। বৃষ্টি হলে নামাজ আদায় করতে বিপাকে পড়তে হয় তাদের। খবর পেয়ে ছুটে এসেছেন কলাপাড়া উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও টিয়াখালী ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী সুমন গাজী।

উপজেলার টিয়াখালী ইউনিয়নের মধ্য রজপাড়ায় ভেঙে যাওয়া বাইতুল মামুর জামে মসজিদটি নিজস্ব অর্থায়নে সংস্কার করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। এতে স্বস্তি ফিরে এসেছে মুসল্লিদের মাঝে। তবে স্থানীয়রা ওই জায়গাটি বালু দিয়ে ভরাট করে মসজিদটি সংস্কারের জন্য বিত্তবানসহ সরকারের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন।

.

মসজিদের মুসল্লিদের মধ্যে মো. ইসমাইল আকন ও জহিরুল ইসলাম বলেন, দুই বছর আগে স্থানীয়রা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন মসজিদটি। নিয়মিত নামাজ আদায় করতেন তারা। গত শুক্রবার (১০ জুলাই) আসর নামাজ আদায়ের পরে হঠাৎ করে মসজিদের পাটাতন ভেঙে মুসল্লিদেরসহ পানিতে পড়ে যায়। কাছাকাছি কোনো মসজিদ না থাকায় বর্তমানে সড়কের মাঝেই নামাজ আদায় করতে হয় তাদের। তবে মসজিদটি দ্রুত মেরামতের জন্য তাদের পাশে মানবিক মানুষ যুবনেতা সুমন গাজী এসে দাঁড়ালে মুসল্লিদের মাঝে স্বস্তি ফিরে আসে।

.

বাইতুল মামুর জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা আব্দুর রহমান এবং মসজিদ কমিটির সহ-সভাপতি মবিরুল ইসলাম জানান, মসজিদটি নির্মাণের সময় নিচে পানি থাকায় পাটাতন দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল। কাঠ নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারণে পাটাতন ভেঙে গিয়েছে। এখন নামাজ আদায় করা খুবই কষ্টকর হয়ে গেছে। বালু দিয়ে ভরাট করে মসজিদটি সংস্কারের জন্য সরকারি সহযোগিতা ও বিত্তবানদের কাছে অনুরোধ জানান তারা।

কলাপাড়া উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও টিয়াখালী ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুমন গাজী বলেন, মধ্য রজপাড়া বাইতুল মামুর জামে মসজিদটি ভেঙে যাওয়ায় সড়কের মাঝে মুসল্লিদের নামাজ আদায় করতে অনেক কষ্ট হয়। তিনি নিজস্ব অর্থায়নে মসজিদটি সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছেন। এতে মুসল্লিরা অনেক আনন্দ প্রকাশ করেছেন।

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফুজ্জামান জানান, এ বিষয়ে লিখিত আবেদন দিলে সরকারি বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কলাপাড়ায় মসজিদ ভেঙে যাওয়ায় সড়কে মুসল্লিদের নামাজ আদায়

আপডেট সময় : ০৫:০৫:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

কলাপাড়ায় মসজিদের পাটাতন ভেঙে মুসল্লিদেরসহ পানিতে পড়ে গেছে। কোনো উপায় না পেয়ে সড়কের মাঝেই নামাজ আদায় করছেন ধর্মপ্রাণ মানুষ। বৃষ্টি হলে নামাজ আদায় করতে বিপাকে পড়তে হয় তাদের। খবর পেয়ে ছুটে এসেছেন কলাপাড়া উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও টিয়াখালী ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী সুমন গাজী।

উপজেলার টিয়াখালী ইউনিয়নের মধ্য রজপাড়ায় ভেঙে যাওয়া বাইতুল মামুর জামে মসজিদটি নিজস্ব অর্থায়নে সংস্কার করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। এতে স্বস্তি ফিরে এসেছে মুসল্লিদের মাঝে। তবে স্থানীয়রা ওই জায়গাটি বালু দিয়ে ভরাট করে মসজিদটি সংস্কারের জন্য বিত্তবানসহ সরকারের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন।

.

মসজিদের মুসল্লিদের মধ্যে মো. ইসমাইল আকন ও জহিরুল ইসলাম বলেন, দুই বছর আগে স্থানীয়রা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন মসজিদটি। নিয়মিত নামাজ আদায় করতেন তারা। গত শুক্রবার (১০ জুলাই) আসর নামাজ আদায়ের পরে হঠাৎ করে মসজিদের পাটাতন ভেঙে মুসল্লিদেরসহ পানিতে পড়ে যায়। কাছাকাছি কোনো মসজিদ না থাকায় বর্তমানে সড়কের মাঝেই নামাজ আদায় করতে হয় তাদের। তবে মসজিদটি দ্রুত মেরামতের জন্য তাদের পাশে মানবিক মানুষ যুবনেতা সুমন গাজী এসে দাঁড়ালে মুসল্লিদের মাঝে স্বস্তি ফিরে আসে।

.

বাইতুল মামুর জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা আব্দুর রহমান এবং মসজিদ কমিটির সহ-সভাপতি মবিরুল ইসলাম জানান, মসজিদটি নির্মাণের সময় নিচে পানি থাকায় পাটাতন দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল। কাঠ নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারণে পাটাতন ভেঙে গিয়েছে। এখন নামাজ আদায় করা খুবই কষ্টকর হয়ে গেছে। বালু দিয়ে ভরাট করে মসজিদটি সংস্কারের জন্য সরকারি সহযোগিতা ও বিত্তবানদের কাছে অনুরোধ জানান তারা।

কলাপাড়া উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও টিয়াখালী ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুমন গাজী বলেন, মধ্য রজপাড়া বাইতুল মামুর জামে মসজিদটি ভেঙে যাওয়ায় সড়কের মাঝে মুসল্লিদের নামাজ আদায় করতে অনেক কষ্ট হয়। তিনি নিজস্ব অর্থায়নে মসজিদটি সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছেন। এতে মুসল্লিরা অনেক আনন্দ প্রকাশ করেছেন।

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফুজ্জামান জানান, এ বিষয়ে লিখিত আবেদন দিলে সরকারি বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।