০১:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জেলেদের নিরাপত্তায় লাইটহাউস স্থাপনের আশ্বাস নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রীর

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:১১:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬ ৭১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সাগর ও নদীর মোহনায় জেলেদের নিরাপদে নৌযান নিয়ে ঘাটে ফেরার সুবিধার্থে একটি লাইটহাউস স্থাপন করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান। এর পাশাপাশি নৌযানের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নৌপথের নাব্যতা ফিরিয়ে আনা হবে বলেও জানান তিনি।রবিবার (২৩ আগস্ট) পটুয়াখালীর মহিপুরে ‘নৌযান শুমারি-২০২৬’ পরিদর্শন ও জেলেদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব আশ্বাস দেন তিনি। ‘নৌযান শুমারি সফল করি, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ি’-এই স্লোগানকে সামনে রেখে দেশের নৌপরিবহন খাতকে আরও নিরাপদ, সুশৃঙ্খল, আধুনিক ও তথ্যভিত্তিক করতে প্রথমবারের মতো শুরু হয়েছে ‘নৌযান শুমারি ২০২৬’। গত ২০ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হওয়া এ শুমারি চলবে ২৯ আগস্ট পর্যন্ত।দেশের সমুদ্রগামী, উপকূলীয় ও অভ্যন্তরীণ জলসীমায় চলাচলকারী সব ইঞ্জিনচালিত নৌযানের হালনাগাদ তথ্য সংগ্রহ করে সমন্বিত ডাটাবেজ তৈরির লক্ষ্যে নৌপরিবহন অধিদফতর ও বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) যৌথভাবে এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এরইমধ্যে প্রাথমিক লিস্টিং কার্যক্রমে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৮০৮টি নৌযানের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।এ উপলক্ষে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার মহীপুর থানা সংলগ্ন মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র ঘাটে নৌযান শুমারি ২০২৬ কার্যক্রম পরিদর্শন ও এর সুফল সম্পর্কে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। নৌপরিবহন অধিদফতরের অধীনে বাস্তবায়নাধীন ‘নৌযানের ডাটাবেজ তৈরি ও নৌযান ব্যবস্থাপনায় সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ’ প্রকল্পের আওতায় এ সভার আয়োজন করা হয়। বাংলাভিশনের গুগল নিউজ ফলো করতে ক্লিক করুনসভায় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান মহিপুরের স্থানীয় জনগণ ও জেলেদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, সাগর ও নদীর মোহনায় জেলেদের নিরাপদে নৌযান নিয়ে ঘাটে ফেরার সুবিধার্থে একটি লাইটহাউস স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি নৌযানের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নৌপথের নাব্যতা ফিরিয়ে আনা হবে।জেলেদের অবকাশকালীন সরকারি বরাদ্দ ও প্রণোদনা যাতে সময় মতো তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী। একই সঙ্গে অবৈধ ট্রলিং জাহাজ বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ারও আশ্বাস দেন তিনি।পরে প্রতিমন্ত্রী ঘাটে নোঙর করা একটি ফিশিং বোটে উঠে নৌযান মালিক, শ্রমিক ও বিভিন্ন সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় তিনি নৌযান শুমারিতে অন্তর্ভুক্তির গুরুত্ব ও এর বহুমুখী সুফল তুলে ধরেন।প্রতিমন্ত্রী বলেন, নৌযান শুমারিতে অন্তর্ভুক্ত হলে মালিক-শ্রমিক ও জেলেরা সরকারি সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে যেমন সুবিধা পাবেন, তেমনি ভবিষ্যতে বিদেশি সহযোগিতা পাওয়ার ক্ষেত্রেও এ তথ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।তিনি বলেন, নৌযান শুমারির মাধ্যমে দেশের নৌযান খাতের একটি নির্ভরযোগ্য, হালনাগাদ ও পূর্ণাঙ্গ চিত্র পাওয়া যাবে। এর ফলে নৌযানের নিবন্ধন ও ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম আরও সহজ ও কার্যকর হবে, নৌনিরাপত্তা জোরদার হবে এবং নৌপথ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনায় ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা গ্রহণে সঠিক তথ্য-উপাত্ত পাওয়া যাবে।তিনি আরও বলেন, এই শুমারির প্রধান সুফল ভোগ করবেন স্থানীয় নৌযান মালিক, শ্রমিক ও জেলেরা। মাছ ধরার নিষিদ্ধ সময়ে তালিকাভুক্ত জেলেরা সরকারি সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে সহজে সুবিধা পাবেন। নৌযানের মালিকানা দাবি, ক্ষতিপূরণ, আইনি সহায়তা ও সরকারের বিভিন্ন ধরনের প্রাপ্য সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রেও শুমারির তথ্য কাজে আসবে।নৌযানের মালিকানা ও নিবন্ধন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুমারির তথ্য ব্যবহার করে প্রকৃত মালিকরা নিজেদের নৌযান সহজে নিজেদের নামে নিবন্ধন করতে পারবেন। নিবন্ধন ফি কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, হয়রানিমুক্ত, সহজ ও কম খরচে নৌযানের মালিকানা ও নিবন্ধন নিশ্চিত করতে নৌপরিবহন অধিদফতর প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে।তিনি আরও বলেন, সমন্বিত ডাটাবেজ তৈরি হলে মেরিটাইম সেক্টরে হয়রানি ও মামলা কমবে। একই সঙ্গে যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের মান উন্নয়ন, নৌপথে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং নৌপরিবহন খাতের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর হবে।মতবিনিময় শেষে প্রতিমন্ত্রী সাধারণ জেলেদের সঙ্গে ফিশিং বোটে দুপুরের খাবার গ্রহণ করেন। পরে তিনি নৌযানে করে নদী ও সাগরের মোহনা পরিদর্শন করেন এবং নৌপথের নাব্যতা ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন।এ সময় উপস্থিত ছিলেন নৌপরিবহন অধিদফতরের মহাপরিচালক কমডোর মো. শফিউল বারী, পায়রা বন্দরের মেম্বার (ইঞ্জিনিয়ার) কমডোর তারেক, নৌপরিবহন অধিদফতরের চিফ ইঞ্জিনিয়ার ও শিপ সার্ভেয়ার মির্জা সাইফুর রহমান, প্রকল্প পরিচালক কমান্ডার সাইফুল আহমাদ, বরিশাল অঞ্চলের ইঞ্জিনিয়ার অ্যান্ড শিপ সার্ভেয়ার মো. সিরাজুল ইসলাম, বিআইডব্লিউটিএর স্থানীয় প্রকৌশলী কর্মকর্তা, স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ এবং নৌপ

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

জেলেদের নিরাপত্তায় লাইটহাউস স্থাপনের আশ্বাস নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রীর

আপডেট সময় : ০৮:১১:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

সাগর ও নদীর মোহনায় জেলেদের নিরাপদে নৌযান নিয়ে ঘাটে ফেরার সুবিধার্থে একটি লাইটহাউস স্থাপন করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান। এর পাশাপাশি নৌযানের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নৌপথের নাব্যতা ফিরিয়ে আনা হবে বলেও জানান তিনি।রবিবার (২৩ আগস্ট) পটুয়াখালীর মহিপুরে ‘নৌযান শুমারি-২০২৬’ পরিদর্শন ও জেলেদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব আশ্বাস দেন তিনি। ‘নৌযান শুমারি সফল করি, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ি’-এই স্লোগানকে সামনে রেখে দেশের নৌপরিবহন খাতকে আরও নিরাপদ, সুশৃঙ্খল, আধুনিক ও তথ্যভিত্তিক করতে প্রথমবারের মতো শুরু হয়েছে ‘নৌযান শুমারি ২০২৬’। গত ২০ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হওয়া এ শুমারি চলবে ২৯ আগস্ট পর্যন্ত।দেশের সমুদ্রগামী, উপকূলীয় ও অভ্যন্তরীণ জলসীমায় চলাচলকারী সব ইঞ্জিনচালিত নৌযানের হালনাগাদ তথ্য সংগ্রহ করে সমন্বিত ডাটাবেজ তৈরির লক্ষ্যে নৌপরিবহন অধিদফতর ও বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) যৌথভাবে এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এরইমধ্যে প্রাথমিক লিস্টিং কার্যক্রমে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৮০৮টি নৌযানের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।এ উপলক্ষে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার মহীপুর থানা সংলগ্ন মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র ঘাটে নৌযান শুমারি ২০২৬ কার্যক্রম পরিদর্শন ও এর সুফল সম্পর্কে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। নৌপরিবহন অধিদফতরের অধীনে বাস্তবায়নাধীন ‘নৌযানের ডাটাবেজ তৈরি ও নৌযান ব্যবস্থাপনায় সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ’ প্রকল্পের আওতায় এ সভার আয়োজন করা হয়। বাংলাভিশনের গুগল নিউজ ফলো করতে ক্লিক করুনসভায় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান মহিপুরের স্থানীয় জনগণ ও জেলেদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, সাগর ও নদীর মোহনায় জেলেদের নিরাপদে নৌযান নিয়ে ঘাটে ফেরার সুবিধার্থে একটি লাইটহাউস স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি নৌযানের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নৌপথের নাব্যতা ফিরিয়ে আনা হবে।জেলেদের অবকাশকালীন সরকারি বরাদ্দ ও প্রণোদনা যাতে সময় মতো তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী। একই সঙ্গে অবৈধ ট্রলিং জাহাজ বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ারও আশ্বাস দেন তিনি।পরে প্রতিমন্ত্রী ঘাটে নোঙর করা একটি ফিশিং বোটে উঠে নৌযান মালিক, শ্রমিক ও বিভিন্ন সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় তিনি নৌযান শুমারিতে অন্তর্ভুক্তির গুরুত্ব ও এর বহুমুখী সুফল তুলে ধরেন।প্রতিমন্ত্রী বলেন, নৌযান শুমারিতে অন্তর্ভুক্ত হলে মালিক-শ্রমিক ও জেলেরা সরকারি সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে যেমন সুবিধা পাবেন, তেমনি ভবিষ্যতে বিদেশি সহযোগিতা পাওয়ার ক্ষেত্রেও এ তথ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।তিনি বলেন, নৌযান শুমারির মাধ্যমে দেশের নৌযান খাতের একটি নির্ভরযোগ্য, হালনাগাদ ও পূর্ণাঙ্গ চিত্র পাওয়া যাবে। এর ফলে নৌযানের নিবন্ধন ও ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম আরও সহজ ও কার্যকর হবে, নৌনিরাপত্তা জোরদার হবে এবং নৌপথ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনায় ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা গ্রহণে সঠিক তথ্য-উপাত্ত পাওয়া যাবে।তিনি আরও বলেন, এই শুমারির প্রধান সুফল ভোগ করবেন স্থানীয় নৌযান মালিক, শ্রমিক ও জেলেরা। মাছ ধরার নিষিদ্ধ সময়ে তালিকাভুক্ত জেলেরা সরকারি সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে সহজে সুবিধা পাবেন। নৌযানের মালিকানা দাবি, ক্ষতিপূরণ, আইনি সহায়তা ও সরকারের বিভিন্ন ধরনের প্রাপ্য সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রেও শুমারির তথ্য কাজে আসবে।নৌযানের মালিকানা ও নিবন্ধন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুমারির তথ্য ব্যবহার করে প্রকৃত মালিকরা নিজেদের নৌযান সহজে নিজেদের নামে নিবন্ধন করতে পারবেন। নিবন্ধন ফি কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, হয়রানিমুক্ত, সহজ ও কম খরচে নৌযানের মালিকানা ও নিবন্ধন নিশ্চিত করতে নৌপরিবহন অধিদফতর প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে।তিনি আরও বলেন, সমন্বিত ডাটাবেজ তৈরি হলে মেরিটাইম সেক্টরে হয়রানি ও মামলা কমবে। একই সঙ্গে যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের মান উন্নয়ন, নৌপথে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং নৌপরিবহন খাতের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর হবে।মতবিনিময় শেষে প্রতিমন্ত্রী সাধারণ জেলেদের সঙ্গে ফিশিং বোটে দুপুরের খাবার গ্রহণ করেন। পরে তিনি নৌযানে করে নদী ও সাগরের মোহনা পরিদর্শন করেন এবং নৌপথের নাব্যতা ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন।এ সময় উপস্থিত ছিলেন নৌপরিবহন অধিদফতরের মহাপরিচালক কমডোর মো. শফিউল বারী, পায়রা বন্দরের মেম্বার (ইঞ্জিনিয়ার) কমডোর তারেক, নৌপরিবহন অধিদফতরের চিফ ইঞ্জিনিয়ার ও শিপ সার্ভেয়ার মির্জা সাইফুর রহমান, প্রকল্প পরিচালক কমান্ডার সাইফুল আহমাদ, বরিশাল অঞ্চলের ইঞ্জিনিয়ার অ্যান্ড শিপ সার্ভেয়ার মো. সিরাজুল ইসলাম, বিআইডব্লিউটিএর স্থানীয় প্রকৌশলী কর্মকর্তা, স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ এবং নৌপ