০১:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ওষুধ সংকটে ব্যাহত স্বাস্থ্যসেবা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:২১:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬ ১২৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজনীয় ওষুধের সংকট দেখা দিয়েছে। সরকারি এ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা চিকিৎসকের পরামর্শ পেলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে হাসপাতালের ফার্মেসি থেকে প্রেসক্রিপশনে থাকা প্রয়োজনীয় ওষুধ পাচ্ছেন না। ফলে দরিদ্র ও নিম্নআয়ের রোগীদের বাধ্য হয়ে বাইরের ফার্মেসি থেকে উচ্চমূল্যে ওষুধ কিনতে হচ্ছে।সর্বশেষ খবর পেতে ঢাকাপ্রকাশ এর গুগল নিউজ চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন ।হাসপাতালের বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা একাধিক রোগী জানান, জ্বর, সর্দি-কাশি, ডায়রিয়া, গ্যাস্ট্রিক, উচ্চ রক্তচাপসহ বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত অনেক ওষুধই নিয়মিত পাওয়া যায় না। চিকিৎসকেরা প্রেসক্রিপশন দিলেও হাসপাতালের স্টোরে সরবরাহ না থাকায় রোগীদের স্থানীয় ফার্মেসির ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এতে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় হওয়ায় অসচ্ছল রোগীরা চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন।বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা এক রোগী বলেন, “সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে ওষুধ পাওয়ার কথা থাকলেও অধিকাংশ সময়ই ‘ওষুধ নেই’ বলে জানানো হয়। দরিদ্র মানুষের জন্য বিষয়টি অত্যন্ত কষ্টদায়ক।”স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ওপর উপজেলার প্রায় তিন লাখ মানুষ নির্ভরশীল। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে জনবল ও চিকিৎসা সরঞ্জামের সংকটের পাশাপাশি ওষুধের সংকটও প্রকট আকার ধারণ করেছে। এতে প্রত্যাশিত স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।হাসপাতালের স্টোরকিপার মো. রেজাউল করিম বলেন, “১২ আগস্টের আগে ওষুধের কোনো সরবরাহ ছিল না। ১৬ আগস্ট থেকে ওষুধ দেওয়া শুরু হয়েছে। তবে প্যারাসিটামল সিরাপ পাইনি এবং চাহিদা অনুযায়ী সব ধরনের ওষুধও পাওয়া যায়নি। ইনজেকশনের ক্ষেত্রেও সবগুলো সরবরাহ পাওয়া যায়নি। এছাড়াও বহির্বিভাগে প্রতিদিন গড়ে ৪০০ থেকে ৫০০ রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন। এ কারণেও অনেক সময় সামাল দিতে কষ্ট হয়।”হাসপাতালের নার্সিং সুপারভাইজার কল্পনা রানী জানান, ৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল হলেও প্রায়ই রোগীর সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়ে যায়। পর্যাপ্ত ওষুধ থাকলেও অতিরিক্ত রোগীর চাপ সামাল দিতে ওষুধ ও চিকিৎসাসেবা সমন্বয় করে দিতে হচ্ছে। এভাবেই কার্যক্রম চালিয়ে নিতে হচ্ছে বলে জানান তিনি।কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা তেন মং বলেন, “কিছু ওষুধের সংকট রয়েছে। সরকারি ইডিসিএল (EDCL) কোম্পানি থেকে আমাদের ওষুধ সংগ্রহ করতে হয়। এর বাইরে থেকে ওষুধ আনার সুযোগ নেই। আমরা ৮০টি আইটেমের চাহিদা দিলেও ৬১টি আইটেম পেয়েছি, তাও আংশিকভাবে। কিন্তু প্রতিদিন শতাধিক রোগী ভর্তি থাকেন। আউটডোরে চিকিৎসা দিতে হ

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ওষুধ সংকটে ব্যাহত স্বাস্থ্যসেবা

আপডেট সময় : ০৪:২১:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজনীয় ওষুধের সংকট দেখা দিয়েছে। সরকারি এ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা চিকিৎসকের পরামর্শ পেলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে হাসপাতালের ফার্মেসি থেকে প্রেসক্রিপশনে থাকা প্রয়োজনীয় ওষুধ পাচ্ছেন না। ফলে দরিদ্র ও নিম্নআয়ের রোগীদের বাধ্য হয়ে বাইরের ফার্মেসি থেকে উচ্চমূল্যে ওষুধ কিনতে হচ্ছে।সর্বশেষ খবর পেতে ঢাকাপ্রকাশ এর গুগল নিউজ চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন ।হাসপাতালের বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা একাধিক রোগী জানান, জ্বর, সর্দি-কাশি, ডায়রিয়া, গ্যাস্ট্রিক, উচ্চ রক্তচাপসহ বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত অনেক ওষুধই নিয়মিত পাওয়া যায় না। চিকিৎসকেরা প্রেসক্রিপশন দিলেও হাসপাতালের স্টোরে সরবরাহ না থাকায় রোগীদের স্থানীয় ফার্মেসির ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এতে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় হওয়ায় অসচ্ছল রোগীরা চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন।বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা এক রোগী বলেন, “সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে ওষুধ পাওয়ার কথা থাকলেও অধিকাংশ সময়ই ‘ওষুধ নেই’ বলে জানানো হয়। দরিদ্র মানুষের জন্য বিষয়টি অত্যন্ত কষ্টদায়ক।”স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ওপর উপজেলার প্রায় তিন লাখ মানুষ নির্ভরশীল। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে জনবল ও চিকিৎসা সরঞ্জামের সংকটের পাশাপাশি ওষুধের সংকটও প্রকট আকার ধারণ করেছে। এতে প্রত্যাশিত স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।হাসপাতালের স্টোরকিপার মো. রেজাউল করিম বলেন, “১২ আগস্টের আগে ওষুধের কোনো সরবরাহ ছিল না। ১৬ আগস্ট থেকে ওষুধ দেওয়া শুরু হয়েছে। তবে প্যারাসিটামল সিরাপ পাইনি এবং চাহিদা অনুযায়ী সব ধরনের ওষুধও পাওয়া যায়নি। ইনজেকশনের ক্ষেত্রেও সবগুলো সরবরাহ পাওয়া যায়নি। এছাড়াও বহির্বিভাগে প্রতিদিন গড়ে ৪০০ থেকে ৫০০ রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন। এ কারণেও অনেক সময় সামাল দিতে কষ্ট হয়।”হাসপাতালের নার্সিং সুপারভাইজার কল্পনা রানী জানান, ৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল হলেও প্রায়ই রোগীর সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়ে যায়। পর্যাপ্ত ওষুধ থাকলেও অতিরিক্ত রোগীর চাপ সামাল দিতে ওষুধ ও চিকিৎসাসেবা সমন্বয় করে দিতে হচ্ছে। এভাবেই কার্যক্রম চালিয়ে নিতে হচ্ছে বলে জানান তিনি।কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা তেন মং বলেন, “কিছু ওষুধের সংকট রয়েছে। সরকারি ইডিসিএল (EDCL) কোম্পানি থেকে আমাদের ওষুধ সংগ্রহ করতে হয়। এর বাইরে থেকে ওষুধ আনার সুযোগ নেই। আমরা ৮০টি আইটেমের চাহিদা দিলেও ৬১টি আইটেম পেয়েছি, তাও আংশিকভাবে। কিন্তু প্রতিদিন শতাধিক রোগী ভর্তি থাকেন। আউটডোরে চিকিৎসা দিতে হ