০৩:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কলাপাড়ায় স্কুলের সামনে নিম্নমানের শিশু খাদ্য বিক্রির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:২৯:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬ ৩৪১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, প্রি-ক্যাডেট স্কুল ও মাদ্রাসার সামনের দোকানগুলোতে অনুমোদনহীন ও নিম্নমানের শিশু খাদ্য অবাধে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় অভিভাবকদের দাবি, আকর্ষণীয় মোড়ক ও খেলনার আদলে তৈরি বিভিন্ন ধরনের খাদ্যপণ্য সহজেই শিশুদের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে, যার মান ও নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।অভিভাবকদের অভিযোগ, এসব পণ্যের অনেকগুলোর লেবেলিং, উপাদান ও মান নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। তারা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের নিম্নমানের খাদ্য গ্রহণ করলে শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত কৃত্রিম রং, নিম্নমানের উপাদান বা অননুমোদিত খাদ্য সংযোজক ব্যবহার করা হলে তা শিশুদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।স্থানীয় সচেতন মহল সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (BFSA), বিএসটিআই (BSTI) এবং উপজেলা প্রশাসনের প্রতি দ্রুত বাজার তদারকি, নমুনা সংগ্রহ এবং পরীক্ষার মাধ্যমে এসব পণ্যের বৈধতা ও মান যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন।এ বিষয়ে অভিভাবকদের প্রত্যাশা, শিশুদের নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, অবৈধ বা নিম্নমানের খাদ্য বিক্রির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কলাপাড়ায় স্কুলের সামনে নিম্নমানের শিশু খাদ্য বিক্রির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

আপডেট সময় : ০৯:২৯:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, প্রি-ক্যাডেট স্কুল ও মাদ্রাসার সামনের দোকানগুলোতে অনুমোদনহীন ও নিম্নমানের শিশু খাদ্য অবাধে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় অভিভাবকদের দাবি, আকর্ষণীয় মোড়ক ও খেলনার আদলে তৈরি বিভিন্ন ধরনের খাদ্যপণ্য সহজেই শিশুদের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে, যার মান ও নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।অভিভাবকদের অভিযোগ, এসব পণ্যের অনেকগুলোর লেবেলিং, উপাদান ও মান নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। তারা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের নিম্নমানের খাদ্য গ্রহণ করলে শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত কৃত্রিম রং, নিম্নমানের উপাদান বা অননুমোদিত খাদ্য সংযোজক ব্যবহার করা হলে তা শিশুদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।স্থানীয় সচেতন মহল সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (BFSA), বিএসটিআই (BSTI) এবং উপজেলা প্রশাসনের প্রতি দ্রুত বাজার তদারকি, নমুনা সংগ্রহ এবং পরীক্ষার মাধ্যমে এসব পণ্যের বৈধতা ও মান যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন।এ বিষয়ে অভিভাবকদের প্রত্যাশা, শিশুদের নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, অবৈধ বা নিম্নমানের খাদ্য বিক্রির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা হবে।