বৃত্তিতে উপজেলায় মাদরাসা পর্যায়ে শীর্ষে খেপুপাড়া নেছারুদ্দীন কামিল
- আপডেট সময় : ০৫:২৪:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬ ১৫৭ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তি পরীক্ষায় এবার চমৎকার সাফল্য অর্জন করেছে খেপুপাড়া নেছারুদ্দীন কামিল মাদরাসা। ইবতেদায়ি পঞ্চম ও দাখিল অষ্টম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষায় এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বৃত্তি লাভ করে উপজেলায় সর্বোচ্চ সাফল্যের নজির স্থাপন করেছে।জানা যায়, উপজেলায় ছেলেদের জন্য ১০টি এবং মেয়েদের জন্য ১০টি বৃত্তি নির্ধারিত ছিল। এর মধ্যে ছেলেদের জন্য ৩টি ও মেয়েদের জন্য ৩টি ট্যালেন্টপুল বৃত্তি এবং বাকি ৭টি করে সাধারণ বৃত্তি। এই সীমিত বৃত্তির মধ্যেও খেপুপাড়া নেছারুদ্দীন কামিল মাদরাসার শিক্ষার্থীরা তাদের মেধা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে চমকপ্রদ সাফল্য অর্জন করেছে। প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী দাখিল অষ্টম শ্রেণিতে মাদরাসাটি মোট ৫টি বৃত্তি অর্জন করেছে। এর মধ্যে ৪টি ট্যালেন্টপুল (৩জন ছেলে ও ১ জন মেয়ে) এবং ১টি সাধারণ বৃত্তি। অন্যদিকে ইবতেদায়ি পঞ্চম শ্রেণিতে প্রতিষ্ঠানটি অর্জন করেছে মোট ১৫টি বৃত্তি, যার মধ্যে ৪টি ট্যালেন্টপুল এবং ১১টি সাধারণ বৃত্তি।এই ফলাফলের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে যে, উপজেলায় সর্বাধিক বৃত্তি অর্জনের কৃতিত্ব এবার খেপুপাড়া নেছারুদ্দীন কামিল মাদরাসার ঝুলিতেই গেছে।মাদরাসাটির অধ্যক্ষ মাও. মো. নাছিরউদ্দীন হাওলাদার ও উপাধ্যক্ষ আলহাজ্জ মাওলানা মো. ওয়ালিউল্লাহ মহোদয় শিক্ষার মানোন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন। নিয়মিত মনিটরিং, পাঠদানের মানোন্নয়ন, শিক্ষকদের সঙ্গে সমন্বয় এবং শিক্ষার্থীদের সার্বিক বিকাশের বিষয়গুলোতে মনোযোগ দিচ্ছেন। তাদের লক্ষ্য শুধু ভালো ফলাফল নয়; বরং শিক্ষার্থীরা যেন নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠে এবং ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষা এবং কর্মজীবনে সফল হতে পারে।ইংরেজি বিভাগের জনপ্রিয় প্রভাষক মো. আতাউর রহমান স্যার বলেন, “বর্তমানে আমাদের প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক সংকট নেই। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থীরা শিক্ষক হিসেবে যোগ দেওয়ায় শিক্ষার্থীরা আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা পাচ্ছে। এতে তাদের জ্ঞান, দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।”ইসলামের ইতিহাস বিভাগের তরুণ প্রভাষক সালমান স্যার বলেন “আমরা আমাদের প্রতিষ্ঠানটিকে বাংলাদেশের শীর্ষ দশটি প্রতিষ্ঠানের কাতারে নিয়ে যেতে চাই। দারুন্নাজাত ও তামিরুল মিল্লাত মাদরাসার মতো প্রতিষ্ঠানের পাশে খেপুপাড়া নেছারুদ্দীন কামিল মাদরাসার নামও দেখতে চাই। সে লক্ষ্যেই আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।”সব মিলিয়ে শিক্ষকদের আন্তরিক প্রচেষ্টা, প্রশাসনের সুপরিকল্পিত তত্ত্বাবধান, অভিভাবকদের সচেতনতা এবং শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রমের ফলে খেপুপাড়া নেছারুদ্দীন কামিল মাদরাসা ধীরে ধীরে একটি ঐতিহ্যবাহী ও মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত হওয়ার পথে এগিয়ে যাচ্ছে।










