০৮:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

মহিষের লড়াই বন্ধে প্রশাসনের তৎপরতা, সচেতনতায় থামল আয়োজন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৪৯:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬ ৭০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কলাপাড়ার গামুরিবুনিয়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডে অনুষ্ঠিতব্য মহিষের লড়াই প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বন্ধ করা হয়েছে। আমতলী ও চাকামইয়া এলাকার দুটি মহিষের মধ্যে এই লড়াই অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।খবর পেয়ে রাত থেকেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে লড়াই বন্ধে উদ্যোগ নেওয়া হয়। শনিবার সকাল ৭টার দিকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন এসিল্যান্ড, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, বন বিভাগের কর্মকর্তা এবং ‘অ্যানিমেল লাভার্স পটুয়াখালী’-এর সদস্যরা। তারা স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে সচেতনতা সৃষ্টি করলে অবশেষে লড়াইটি বন্ধ হয়ে যায়।প্রশাসন জানায়, প্রাণিকল্যাণ আইন, ২০১৯ অনুযায়ী কোনো প্রাণীকে লড়াইয়ের উদ্দেশ্যে প্ররোচিত করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। আইনের ৪ ও ৬(১)(ছ) ধারায় এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। একই আইনের ১৬(ক) ধারায় অপরাধ প্রমাণিত হলে অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড কিংবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানায় সংশ্লিষ্টরা। প্রশাসন বলছে, ভবিষ্যতেও এ ধরনের প্রাণী নির্যাতনমূলক কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মহিষের লড়াই বন্ধে প্রশাসনের তৎপরতা, সচেতনতায় থামল আয়োজন

আপডেট সময় : ০২:৪৯:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

কলাপাড়ার গামুরিবুনিয়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডে অনুষ্ঠিতব্য মহিষের লড়াই প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বন্ধ করা হয়েছে। আমতলী ও চাকামইয়া এলাকার দুটি মহিষের মধ্যে এই লড়াই অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।খবর পেয়ে রাত থেকেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে লড়াই বন্ধে উদ্যোগ নেওয়া হয়। শনিবার সকাল ৭টার দিকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন এসিল্যান্ড, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, বন বিভাগের কর্মকর্তা এবং ‘অ্যানিমেল লাভার্স পটুয়াখালী’-এর সদস্যরা। তারা স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে সচেতনতা সৃষ্টি করলে অবশেষে লড়াইটি বন্ধ হয়ে যায়।প্রশাসন জানায়, প্রাণিকল্যাণ আইন, ২০১৯ অনুযায়ী কোনো প্রাণীকে লড়াইয়ের উদ্দেশ্যে প্ররোচিত করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। আইনের ৪ ও ৬(১)(ছ) ধারায় এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। একই আইনের ১৬(ক) ধারায় অপরাধ প্রমাণিত হলে অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড কিংবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানায় সংশ্লিষ্টরা। প্রশাসন বলছে, ভবিষ্যতেও এ ধরনের প্রাণী নির্যাতনমূলক কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে।